একটু অসাবধানতায় আগুন, আর চোখের পলকেই শেষ হয়ে গেল সবকিছু! তেলেভাজার দোকানে আগুন লেগে পুড়ে ছাই দোকানের সমস্ত সামগ্রী। নগদ টাকা, জরুরি নথি থেকে ফ্রিজ—কিছুই আর অবশিষ্ট নেই। এখন কীভাবে চলবে সংসার, সেই চিন্তায় দিশেহারা দোকানের মালিক আশা নন্দি।
ঘটনাটি অন্ডালের মুকুন্দপুর গ্রামের মোড়ের।
দোকানের মালিক আশা নন্দির দাবি, তেলেভাজার জন্য কড়াইয়ে তেল বসানোর পর আচমকাই তেলে আগুন ধরে যায়। মুহূর্তের মধ্যে আগুন ছড়িয়ে পড়ে দোকানের আসবাবপত্রে। আগুনের তীব্রতা দেখে ভয়ে দোকান থেকে বেরিয়ে আসেন তিনি। চোখের পলকেই আগুনের গ্রাসে চলে যায় গোটা দোকান।
সৌভাগ্যবশত, এই ঘটনায় কোনও প্রাণহানি হয়নি। তবে দোকানের ভিতরে থাকা জরুরি নথিপত্র, ফ্রিজ, আসবাবপত্র এবং প্রায় ৩০ হাজার টাকা পুড়ে ছাই হয়ে গিয়েছে বলে জানিয়েছেন দোকানের মালিক।
আশা নন্দির স্বামী প্রতিবন্ধী। স্বামী-স্ত্রী দু'জনে মিলে এই তেলেভাজার দোকান চালিয়েই সংসার চালাতেন। সন্তানদের পড়াশোনা থেকে শুরু করে পরিবারের যাবতীয় খরচ—সবকিছুরই ভরসা ছিল এই ছোট্ট দোকান।
স্থানীয় বাসিন্দাদের প্রচেষ্টায় শেষ পর্যন্ত আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় অন্ডাল থানার পুলিশ। তবে ততক্ষণে আগুনে ভস্মীভূত হয়ে গিয়েছে দোকানের সমস্ত কিছু।
এখন কীভাবে আবার নতুন করে ঘুরে দাঁড়াবেন তাঁরা? কীভাবেই বা চলবে সংসার, কীভাবে চলবে সন্তানদের পড়াশোনা? এই প্রশ্নগুলিই এখন তাড়া করে বেড়াচ্ছে সর্বস্ব হারানো পরিবারটিকে।
একটি ছোট্ট দোকানই ছিল তাঁদের বেঁচে থাকার অবলম্বন। সেই দোকান আগুনে পুড়ে ছাই। এখন সরকারি সাহায্যের আশায় তাকিয়ে অসহায় পরিবার।